June 25, 2026, 5:40 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, আবার চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা কুষ্টিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে সোপর্দ মেহেরপুর সীমান্তে ৭ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমেছে, স্বস্তির আভাস জ্বালানি বাজারে ধানমন্ডি ৩২-এ জামায়াতের মিছিল শেষে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা/ ১,২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন অগ্রগতি পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন বাংলাদেশ সীমান্তে ৭–৮টি আধুনিক স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের বাংলাদেশের স্বার্থ/ ভারত ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি জরুরী

কুষ্টিয়ায় নৌবাহিনীর সদস্যের মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ

নিজস্ব সংবাদদাতা: কুষ্টিয়া স্বাস্থ্য বিভাগ গত বৃহস্পতিবার রাতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মৃত ঘোষিত নৌবাহিনীর এক সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করেছে আজ শুক্রবার ।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নাজমুস সালেহীন নামের ঐ নৌবাহিনীর সদস্যের মৃত্যু হয় রাত ৯ টার দিকে হাসপাতালে আনার আগে। সালিহিন খুলনা নৌ বাহিনীর রিজিওনাল দফতরে সার্জেন্টের পদে চাকুরী করতেন। গত তিন দিন ধরে তিনি ছুটিতে ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

সালেহিন একটি মিশনে দু’বছর আগে দক্ষিণ সুদান গিয়েছিলেন এবং ৯ মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন বলে তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন জানান যে সালেহিন গ্যাস্ট্রিক এবং হার্টের রোগে ভুগছিলেন এবং মেহেনপুর সদর উপজেলার কোলা গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে তিন দিন ধরে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছিল।

সিভিল সার্জন জানান “হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথে তার মৃত্যু হয়েছিল।”

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এমও) তাপস কুমার সরকার সালেহিনের চিকিৎসার যাবতীয় কাগজপত্র পরীক্ষা করে জানিয়েছেন যে তিনি অতীতে গ্যাস্ট্রিক-আলসার এবং হৃদরোগে ভুগছিলেন।

হাসপাতালে আনার আগে যেহেতু রোগী মারা যান, আমরা সরাসরি রোগীর অন্য কোন লক্ষণ সম্পর্কে জানতে পারি নি,” বলেন ডাক্তার তাপস।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন আনোয়ারুল ইসলাম জানান, “তবে, সালেহীনের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন যে তার মধ্যে করোনার লক্ষণ ছিল। এবং সেজন্য পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।” একই সাথে বাড়তি সর্তকতার জন্য তার লাশ করোনা প্রতিরোধক কফিনে ভরে পরিবারের কাছে দেয়া হযেছে। শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে খুলনা থেকে নৌবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

অন্যদিকে মেহেরপুর সদর উপজেলা প্রশাসন শুক্রবার সকাল থেকে সালেহীনের শ্বশুর বাড়িটি লকডাউন করে দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net